ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় ? ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য সেরা 12টি স্কিল

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় ? আপনি যদি এই প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাহলে আজকে আমি আপনাদের সাথে সেরা কিছু ফিন্যান্সিং স্কিল নিয়ে আলোচনা করব, যে স্কিলগুলোর উপর কাজ শিখে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি নিজের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমানে অনেকেই  এই স্কেল গুলোর উপর কাজ শিখে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যেমন upwork, ফাইবারে কাজ করে প্রচুর টাকা ইনকাম করে। ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় আরো ডিটেইলস এ আলোচনা করা হলো:

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় ?

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য সেরা 12টি স্কিল, এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

  • ডিজিটাল মার্কেটিং(Digital Marketing)
  • এসইও (SEO)
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing)
  • কনটেন্ট মারকেটিং (Content Marketing)
  • ইমেইল মার্কেটিং (Email Marketing) 
  • লিড জেনারেশন (Lead Generation)
  • ভিডিও এডিটিং (Video Editing)
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphic Design)
  • ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্ট (Front-End Development)
  • ওয়েব ডিজাইন (Web Design)
  • CMS কাস্টমাইজেশন

নিচে ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো

1.ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing)

বর্তমান সময়ে যেকোনো ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে প্রডাক্ট বা কোম্পানি প্রচারের একটি প্রধান মাধ্যম।  আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি নিজের কাজ ও করতে পারবেন। আপনার যদি একটি অনলাইন বিজনেস থাকে, তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং  করে আপনার ব্যবসা প্রচার করতে পারবেন।  

আর যদি আপনার কোন ব্যবসার থাকে তাহলে আপনি এই কাজগুলি শিখে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন। 

2. এসইও (SEO)

এসইও (SEO) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। অর্থাৎ আপনার কোন ব্যবসা বা কোন তথ্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করে গুগোল বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে  প্রথম পেজে আনার প্রক্রিয়ায় হচ্ছে এসইও (SEO)

বর্তমান সময়ে অনলাইনে যে কোন  ব্যবসা জন্য এসইও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসইও করার মাধ্যমে যেকোনো ওয়েবসাইট বা ব্লগ google রেংকিং নির্ভর করে। আর আপনি যদি কোন ব্যবসা google রেংকিং করতে পারেন, তাহলে গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনি প্রচুর ভিজিটর পাবেন। 

3. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং হল টাকা খরচ করে সার্চ ইঞ্জিনে মার্কেটিং করা।  এর জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান SEM স্পেশালিস্ট হায়ার করে থাকেন এ কাজ করার জন্য। উদাহরণ: ফেসবুকে এড দেওয়া অথবা গুগল ইউটিউবে এড দেওয়া। 

4. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing)

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার  ইত্যাদি প্লাটফর্মে যে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং করা করে প্রচার করা।

5.কনটেন্ট মারকেটিং (Content Marketing)

কনটেন্ট মার্কেটিং হল যেকোনো ওয়েবসাইটের কনটেন্ট এর প্রচার বা প্রসার করা। আপনি কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে ফ্রীল্যান্কিং করে বা ব্লগিং টাকা উপার্জন করতে পারেন।

6. ইমেইল মার্কেটিং (Email Marketing) 

কোন প্রোডাক্ট ও সার্ভিসকে ইমেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পৌছে দেয়া হলো ইমেইল মার্কেটিং। আপনি একজন দক্ষ ইমেইল মার্কেটার হলে ঘরে বসে ফ্রীল্যান্কিং করে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ফ্রীল্যান্কিং মার্কসিটপ্লেসে ইমেইল মার্কেটারের চাহিদা অনেক। 

7. লিড জেনারেশন (Lead Generation)

বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ইনফরমেশন প্রয়োজন হয়, তাদের কন্টাক্ট নাম্বার ইমেইল এড্রেস ইত্যাদি প্রয়োজন হয়। লিড জেনারেশন এর কাজ হচ্ছে, কোন কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি লিড কালেক্ট করে দেওয়া।

8. ভিডিও এডিটিং (Video Editing)

ভিডিও এডিটিং শাখার মাধ্যমে আপনি মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভিডিও তৈরি করে অথবা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্টের কাজ করে। 

বর্তমানে যারা ভিডিও এডিটিং করে তাদের চাহিদা  অনেক। ভিডিও এডিটিং কাজ শেখার মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে বর্তমানে কাজের চাহিদা অনেক।

9. গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphic Design)

এখন গ্রাফিক ডিজাইন একটি জনপ্রিয় এবং পরিচিত কাজ। অনলাইনের ফ্রীল্যান্কিং কাজের মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইনের মাধ্যমে ফ্রীলান্সারের খুব ভালো ইনকাম করছেন। গ্রাফিক ডিজাইন এর মধ্যে লোগো, ব্যানার, বিজনেস কার্ড  ইত্যাদি কাজ অনেকেই ফ্রীল্যান্কিং মার্কসিটপ্লেসে করে।

10. ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্ট (Front-End Development)

ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্টে html, css এবং javascript ব্যবহার করে হার্ডওয়্যার বা সফ্টওয়্যারের জন্য ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করা জড়িত। যেমন এগুলা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে কোন ওয়েবসাইট তৈরি করা  বা কোন CMS তৈরি করা।

11.ওয়েব ডিজাইন (Web Design)

ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট html, css বা ওয়ার্ডপ্রেস CMS এর মাধ্যমে ডিজাইন করা। আপনি চাইলে একজন ওয়েব ডিজাইনার হয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন ফ্রীল্যান্কিং মার্কসিটপ্লাসের মাধ্যমে।

12. CMS কাস্টমাইজেশন

CMS  হচ্ছে কনটেন্ট কাস্টমাইজ করার সিস্টেম। যেমন wordpress, shopify, laravel সুতরাং এসএমএস গুলো ব্যবহার করে থিম, প্লাগিন বা সফ্টয়ার তৈরি করা অথবা এসএমএস ব্যবহার করে কোনো ওয়েবসাইট তৈরি করা।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় ইত্যাদি এবং ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:

শেষ কথা

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় ? সুতরাং আপনি যদি কোন ফ্রীল্যান্কিং করে ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে চান ,তাহলে আপনি উপরিউক্ত যেকোনো একটি  ক্যাটাগরিতে কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন।

এছাড়া আরো অনেক মাধ্যম রয়েছে, আপনি যদি একটু অনলাইনে খুঁজেন করেন “ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়“, তাহলে আপনি আরো অনেক মাধ্যমে খুঁজে পাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় এ সম্পর্কে আপনার যদি কোন প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান। ভাল লাগলেও অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় আর্টিকেলটি সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম রেগুলার অনলাইনে ইনকাম টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আবারো ধন্যবাদ

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *